Close Menu
আবু সাঈদ আহমেদ
  • হোম
  • সাঈদ আর্কাইভ
    • উপন্যাস
    • গল্প
    • অকবিতা
    • মনসুখিয়া
    • শিশু-কিশোর সাহিত্য
    • আলাপ
    • অনুবাদ
    • সম্পাদনা
    • খসড়া
  • আলাপ
  • অনুবাদ
  • সম্পাদনা
  • রিভিউ
  • প্রকাশনা
  • ওয়ার্কশপ
  • বহুস্বর

Subscribe to Updates

Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

What's Hot

কর্তার ভূত

August 6, 2026

Here’s What Happens to Your Body if You Eat Pizza Every Week

March 10, 2022

The 15 Best Watches for Men at Every Price Point, According to Experts

March 10, 2022
Facebook X (Twitter) Instagram
আবু সাঈদ আহমেদ
Thursday, August 6, 2026
Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
Subscribe
  • হোম
  • সাঈদ আর্কাইভ
    • উপন্যাস
    • গল্প
    • অকবিতা
    • মনসুখিয়া
    • শিশু-কিশোর সাহিত্য
    • আলাপ
    • অনুবাদ
    • সম্পাদনা
    • খসড়া
  • আলাপ
  • অনুবাদ
  • সম্পাদনা
  • রিভিউ
  • প্রকাশনা
  • ওয়ার্কশপ
  • বহুস্বর
আবু সাঈদ আহমেদ
Home»বহুস্বর»কর্তার ভূত

কর্তার ভূত

0
By Sayeed Ahmed on August 6, 2026 বহুস্বর
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বুড়ো কর্তার মরণকালে দেশসুদ্ধ সবাই বলে উঠল, ‘তুমি গেলে আমাদের কী দশা হবে।’

শুনে তারও মনে দুঃখ হল। ভাবলে, ‘আমি গেলে এদের ঠাণ্ডা রাখবে কে।’

তা ব’লে মরণ তো এড়াবার জো নেই। তবু দেবতা দয়া করে বললেন, ‘ভাবনা কী। লোকটা ভূত হয়েই এদের ঘাড়ে চেপে থাক্‌‍-না। মানুষের মৃত্যু আছে, ভূতের তো মৃত্যু নেই।’

২

দেশের লোক ভারি নিশ্চিন্ত হল।

কেননা ভবিষ্যৎকে মানলেই তার জন্যে যত ভাবনা, ভূতকে মানলে কোনো ভাবনাই নেই; সকল ভাবনা ভূতের মাথায় চাপে। অথচ তার মাথা নেই, সুতরাং কারো জন্যে মাথাব্যথাও নেই।

তবু স্বভাবদোষে যারা নিজের ভাবনা নিজে ভাবতে যায় তারা খায় ভূতের কানমলা। সেই কানমলা না যায় ছাড়ানো, তার থেকে না যায় পালানো, তার বিরুদ্ধে না চলে নালিশ, তার সম্বন্ধে না আছে বিচার।

দেশসুদ্ধ লোক ভূতগ্রস্ত হয়ে চোখ বুজে চলে। দেশের তত্ত্বজ্ঞানীরা বলেন, ‘এই চোখ বুজে চলাই হচ্ছে জগতের সবচেয়ে আদিম চলা। একেই বলে অদৃষ্টের চালে চলা। সৃষ্টির প্রথম চক্ষুহীন কীটাণুরা এই চলা চলত; ঘাসের মধ্যে, গাছের মধ্যে, আজও এই চলার আভাস প্রচলিত।’

শুনে ভূতগ্রস্ত দেশ আপন আদিম আভিজাত্য অনুভব করে। তাতে অত্যন্ত আনন্দ পায়।

ভূতের নায়েব ভুতুড়ে জেলখানার দারোগা। সেই জেলখানার দেয়াল চোখে দেখা যায় না। এইজন্যে ভেবে পাওয়া যায় না, সেটাকে ফুটো করে কী উপায়ে বেরিয়ে যাওয়া সম্ভব।

এই জেলখানায় যে ঘানি নিরন্তর ঘোরাতে হয় তার থেকে এক ছটাক তেল বেরোয় না যা হাটে বিকোতে পারে, বেরোবার মধ্যে বেরিয়ে যায় মানুষের তেজ। সেই তেজ বেরিয়ে গেলে মানুষ ঠাণ্ডা হয়ে যায়। তাতে করে ভূতের রাজত্বে আর কিচ্ছুই না থাক্‌‍—অন্ন হোক, বস্ত্র হোক, স্বাস্থ্য হোক— শান্তি থাকে।

কত-যে শান্তি তার একটা দৃষ্টান্ত এই যে, অন্য সব দেশে ভূতের বাড়াবাড়ি হলেই মানুষ অস্থির হয়ে ওঝার খোঁজ করে। এখানে সে চিন্তাই নেই। কেননা ওঝাকেই আগেভাগে ভূতে পেয়ে বসেছে।

৩

এই ভাবেই দিন চলত, ভূতশাসনতন্ত্র নিয়ে কারো মনে দ্বিধা জাগত না; চিরকালই গর্ব করতে পারত যে, এদের ভবিষ্যৎটা পোষা ভেড়ার মতো ভূতের খোঁটায় বাঁধা, সে ভবিষ্যৎ ভ্যা’ও করে না, ম্যা’ও করে না, চুপ করে পড়ে থাকে মাটিতে, যেন একেবারে চিরকালের মতো মাটি।

কেবল অতি সামান্য একটা কারণে একটু মুশকিল বাধল। সেটা হচ্ছে এই যে, পৃথিবীর অন্য দেশগুলোকে ভূতে পায় নি। তাই অন্য সব দেশে যত ঘানি ঘোরে তার থেকে তেল বেরোয় তাদের ভবিষ্যতের রথচক্রটাকে সচল করে রাখবার জন্যে,বুকের রক্ত পিষে ভূতের খর্পরে ঢেলে দেবার জন্যে নয়। কাজেই মানুষ সেখানে একেবারে জুড়িয়ে যায় নি। তারা ভয়ংকর সজাগ আছে।

৪

এ দিকে দিব্যি ঠাণ্ডায় ভূতের রাজ্য জুড়ে ‘খোকা ঘুমোলো, পাড়া জুড়োলো’।

সেটা খোকার পক্ষে আরামের, খোকার অভিভাবকের পক্ষেও; আর পাড়ার কথা তো বলাই আছে।

কিন্তু, ‘বর্গি এল দেশে’।

নইলে ছন্দ মেলে না, ইতিহাসের পদটা খোঁড়া হয়েই থাকে।

দেশে যত শিরোমণি চূড়ামণি আছে সবাইকে জিজ্ঞাসা করা গেল, ‘এমন হল কেন।’

তারা এক বাক্যে শিখা নেড়ে বললে, ‘এটা ভূতের দোষ নয়, ভুতুড়ে দেশের দোষ নয়, একমাত্র বর্গিরই দোষ। বর্গি আসে কেন।’

শুনে সকলেই বললে, ‘তা তো বটেই।’ অত্যন্ত সান্ত্বনা বোধ করলে।

দোষ যারই থাক্‌‍, খিড়কির আনাচে-কানাচে ঘোরে ভূতের পেয়াদা, আর সদরের রাস্তায়-ঘাটে ঘোরে অভূতের পেয়াদা; ঘরে গেরস্তর টেঁকা দায়, ঘর থেকে বেরোবারও পথ নেই। এক দিক থেকে এ হাঁকে, ‘খাজনা দাও।’ আর-এক দিক থেকে ও হাঁকে, ‘খাজনা দাও।’

এখন কথাটা দাঁড়িয়েছে, ‘খাজনা দেব কিসে’।

এতকাল উত্তর দক্ষিণ পুব পশ্চিম থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে নানা জাতের বুলবুলি এসে বেবাক ধান খেয়ে গেল, কারো হু ছিল না। জগতে যারা হুশয়ার এরা তাদের কাছে ঘেঁষতে চায় না, পাছে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়। কিন্তু তারা অকস্মাৎ এদের অত্যন্ত কাছে ঘেঁষে, এবং প্রায়শ্চিতও করে না। শিরোমণি-চূড়ামণির দল পুঁথি খুলে বলেন, ‘বেহু যারা তারাই পবিত্র, হুশয়ার যারা তারাই অশুচি, অতএব হুশয়ারদের প্রতি উদাসীন থেকো, প্রবুদ্ধমিব সুপ্তঃ।’

শুনে সকলের অত্যন্ত আনন্দ হয়।

৫

কিন্তু, তৎসত্ত্বেও এ প্রশ্নকে ঠেকানো যায় না, ‘খাজনা দেব কিসে’।

শ্মশান থেকে মশান থেকে ঝোড়ো হাওয়ায় হাহা ক’রে তার উত্তর আসে, ‘আব্রু দিয়ে, ইজ্জত দিয়ে, ইমান দিয়ে, বুকের রক্ত দিয়ে।’

প্রশ্নমাত্রেরই দোষ এই যে, যখন আসে একা আসে না। তাই আরও একটা প্রশ্ন উঠে পড়েছে, ‘ভূতের শাসনটাই কি অনন্তকাল চলবে।’

শুনে ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি আর মাসতুতো-পিসতুতোর দল কানে হাত দিয়ে বলে, ‘কী সর্বনাশ। এমন প্রশ্ন তো বাপের জন্মে শুনি নি। তা হলে সনাতন ঘুমের কী হবে— সেই আদিমতম, সকল জাগরণের চেয়ে প্রাচীনতম ঘুমের?’

প্রশ্নকারী বলে, ‘সে তো বুঝলুম, কিন্তু আধুনিকতম বুলবুলির ঝাঁক আর উপস্থিততম বর্গির দল, এদের কী করা যায়।’

মাসিপিসি বলে, ‘বুলবুলির ঝাঁককে কৃষ্ঞনাম শোনাব, আর বর্গির দলকেও।’

অর্বাচীনেরা উদ্ধত হয়ে বলে ওঠে, ‘যেমন করে পারি ভূত ছাড়াব।’

ভূতের নায়েব চোখ পাকিয়ে বলে, ‘চুপ। এখনো ঘানি অচল হয় নি।’

শুনে দেশের খোকা নিস্তব্ধ হয়, তার পরে পাশ ফিরে শোয়।

৬

মোদ্দা কথাটা হচ্ছে, বুড়ো কর্তা বেঁচেও নেই, মরেও নেই, ভূত হয়ে আছে। দেশটাকে সে নাড়েও না, অথচ ছাড়েও না।

দেশের মধ্যে দুটো-একটা মানুষ, যারা দিনের বেলা নায়েবের ভয়ে কথা কয় না, তারা গভীর রাত্রে হাত জোড় করে বলে, ‘কর্তা, এখনো কি ছাড়বার সময় হয় নি।’

কর্তা বলেন, ‘ওরে অবোধ, আমার ধরাও নেই, ছাড়াও নেই, তোরা ছাড়লেই আমার ছাড়া।’

তারা বলে, ‘ভয় করে যে, কর্তা।’

কর্তা বলেন, ‘সেইখানেই তো ভূত।’

শ্রাবণ ১৩২৬

Author

  • Sayeed Ahmed
    Sayeed Ahmed
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Copy Link

Related Posts

How To Become A Journalist: A Step-By-Step Guide For Beginners

March 10, 2022

Women March in Latin American Cities Calling for Abortion Rights

March 10, 2022

Where You Still Need to Wear a Mask in New York City in 2023

January 19, 2021

5 Best European Countries To Visit If You Are On A Budget

January 17, 2021
85

Review: What We Know About the White House’s Executive Order on AI

January 14, 2021

Anti-Abortion Activists Attend First March for Life ‘With Fresh Resolve’

January 14, 2021

Subscribe to Updates

Get the latest creative news from SmartMag about art & design.

Latest Posts

কর্তার ভূত

August 6, 20264 Views

Here’s What Happens to Your Body if You Eat Pizza Every Week

March 10, 20222 Views

The 15 Best Watches for Men at Every Price Point, According to Experts

March 10, 20221 Views

How To Become A Journalist: A Step-By-Step Guide For Beginners

March 10, 20221 Views
Stay In Touch
  • Facebook
  • Twitter
  • Pinterest
  • Instagram
  • YouTube
  • Vimeo
Don't Miss

কবুতরের বুক

By Sayeed AhmedJanuary 11, 2020

একটা পাতাও বাকি নেই ঝরার মতো, শীতের এখন অখণ্ড বিশ্রাম। মাঘ মাসের মাঝামাঝি, শীত যেন…

Bill Gates Flew Economy Class For 10 Years After Becoming A Billionaire

January 10, 2020

কর্তার ভূত

August 6, 2026
Demo

আবু সাঈদ আহমেদ

আবু সাঈদ আহমেদ
লেখক • অনুবাদক • সম্পাদক

© ২০২৬ আবু সাঈদ আহমেদ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আবু সাঈদ আহমেদের সকল সাহিত্যকর্ম, অনুবাদ, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছবি এবং অন্যান্য মৌলিক বিষয়বস্তু বাংলাদেশের প্রচলিত কপিরাইট আইন ও আন্তর্জাতিক কপিরাইট চুক্তির অধীনে সংরক্ষিত। লেখকের পূর্বানুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, অনুবাদ, ছবি বা অন্য কোনো উপাদান সম্পূর্ণ বা আংশিক পুনঃপ্রকাশ, পুনর্মুদ্রণ, সংরক্ষণ, বিতরণ, রূপান্তর অথবা যে কোনো মাধ্যমে ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ।

যোগাযোগ
ই-মেইল: info@sayeedahamed.com
হোয়াটসঅ্যাপ (শুধু টেক্সট ও ভয়েস মেসেজ): +880 1805-549490
Facebook X (Twitter) Pinterest YouTube WhatsApp
© 2026 Abu Sayeed Ahamed. Designed by Pedal Press.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.